পড়তে হবে, প্রচুর পড়তে হবে। একটি ধারণা প্রচলিত আছে যে, ১০ পাতা পড়লে ১ পাতা লেখা যায়। কম্পিটিটরদের চেয়ে ভালো লেখা প্রকাশ করার জন্য আপনাকে তাদের সব লেখা পড়তে হবে। গুগলের সার্চ রেজাল্টে প্রথম পাতায় থাকা দশটি পেজ পড়লে আপনি তাদের চেয়ে ভালো কিছু লিখতে পারবেন। এবং গুগল আপনার লেখাটিকে প্রথমে দেখাবে।
মনে করুন আপনি একটি কিওয়ার্ড ব্যবহার করলেন ‘চা পানের উপকারিতা’, তাহলে চা পানের উপকারিতা লিখে সার্চ দিলে গুগলে যে রেজাল্টগুলো আসে, সেইসব সাইটই এই কিওয়ার্ডের জন্য আপনার কম্পিটিটর। পাঠকেরা তাদের লেখা কতক্ষণ পড়ছে, পড়ার পরে কি করছে এগুলো দেখে তারপর গুগল একটি ওয়েব পেজকে র্যাংক করে। আপনার লেখা ভালো হলে, ভিজিটরেরা বেশী সময় নিয়ে পড়বে, লেখার লিংক থেকে আরো পড়বে। ফল হিসেবে আপনার লেখা সার্চ রেজাল্টে উপরের দিকে উঠে যাবে।

(রীতিমতো সাইকেল রেসে নামতে হবে- তাহলে সবার লেখার উপরে আপনার লেখা সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টে থাকবে)
অনেকে Word Count বিবেচনা করেন। কম্পিটিটরেরা সর্বোচ্চ ৭০০ শব্দ ব্যবহার করলে তারা ৭৫০ শব্দে একই টপিকে একটি আর্টিকেল লিখে ফেলেন। এই ব্যাপারটা খারাপ না যদি, প্রাসঙ্গিক লেখা আপনি লিখতে পারেন। কিন্তু, জোর করে শব্দসংখ্যা বাড়িয়ে কোন লাভ নেই। সত্যিই যদি পাঠকদের জানানোর মতো আরো কিছু থাকে তাহলে ১০০০, ২০০০, ৫০০০ শব্দেও একটি আর্টিকেল লিখতে পারেন।
কিছু পদ্ধতি আপনিও অনুসরণ করতে পারেন যা সাধারণত ব্লগারেরা অনুসরণ করেন-
আগে প্রকাশিত আপনার লেখাটি এডিট করে, নতুন কিছু যোগ করেন, কিছু তথ্য ব্যাকডেটেড হলে তা বাদ দেন, আপডেট করেন। তাহলে কিছুদিন পরে আবার গুগল আপনার লেখাটিকে র্যাংকিং এ উপরে দেখাবে।